ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

প্রাথমিকে শিক্ষকপদের চাকরি চলে গেল তৃণমূল নেতার দুই মেয়ের! ভাইরাল তালিকা নিয়ে মুখ খুললেন বাবা

নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে 2014 সালের টেট দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট 269 জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। যাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে তাঁরা যেন মঙ্গলবার থেকে কাজে যোগ দিতে না পারেন, তা নিশ্চিত করতে বলেছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। 

এরই মধ্যে চাকরি যাওয়া প্রার্থীদের একটি তালিকা ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তালিকা অনুযায়ী, আরামবাগ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গুনধর খাঁড়ার দুই মেয়েও চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছেন। যদিও এই তালিকা যাচাই করে দেখেনি বিশ্ব বার্তা নিউজ পোর্টাল। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেন, গুনধর খাঁড়ার দুই মেয়ে শিবানী খাঁড়া ও সীমা খাঁড়ার নাম বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকদের তালিকায় রয়েছে। শুধু নিজের দুই মেয়ে নয়, এলাকার একাধিকজনকে নিয়ম না মেনেই চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন এই তৃণমূল নেতা। এরপরেই এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।

এই বিষয়ে এক স্থানীয় বাসিন্দা জানিয়েছেন, "গুনধর খাঁড়ার চার মেয়েই প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক। তাঁদের মধ্যে শিবানী খাঁড়া সালেরপুর সুকান্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা এবং সীমা খাঁড়া তারকেশ্বর দশঘরার কোটালপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরি করেন। ২০১৭ সালে তৃণমূল নেতার এই দুই মেয়ে চাকরি পেয়েছিলেন এবং হাইকোর্টের রায়ের পর তাঁদের চাকরি গিয়েছে।" 

যদিও, আরামবাগ শিক্ষা দফতরের এসআই কাবেরী সাফুই বলেন, "এই বিষয়ে কোনও সরকারি নির্দেশিকা আমার হাতে এসে পৌঁছয়নি। তাই তাঁরা বরখাস্ত হয়েছেন কিনা এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।" শিবানী খাঁড়ার শ্বশুর বাড়িতে খোঁজ নেওয়া হলে তাঁর এক আত্মীয়া জানান, তিনি বাড়িতে নেই। এই বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে পারবেন না।

গুনধর খাঁড়া বলেন, “আমাদের কাছে ওদের চাকরি যাওয়া নিয়ে কোনও তথ্য নেই। সকলেরই বাক স্বাধীনতা রয়েছে। শিবানী বা সীমার চাকরি নিয়ে যে গুজব ছড়িয়েছে তা নিয়ে আমার কিছু জানা নেই।”