ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

১২ মাসের পরিবর্তে ১৩ মাসের বেতনের উপর ট্যাক্সের নির্দেশিকা! ক্ষোভ প্রকাশ শিক্ষকদের

 

নিউজ ডেস্ক: গত বছরের মতো আবার এবছর বেশকিছু জেলায় শিক্ষক শিক্ষাকর্মীদের জন্য ১২ মাসের পরিবর্তে ১৩ মাসের বেতনের উপর ট্যাক্স দেওয়ার নির্দেশিকা আসতে চলেছে। এর ফলে বহু শিক্ষক শিক্ষিকাকে অতিরিক্ত ট্যাক্স দিতে হবে। শিক্ষক শিক্ষাকর্মীদের বেতন এপ্রিল মাসে ব্যাংক একাউন্টে ক্রেডিট হলেও বলা হচ্ছে ট্রেজারি থেকে যেহেতু মার্চ মাসেই বেতন ছাড়া হচ্ছে তাই ওই বেতনটা পূর্বের আর্থিক বর্ষে ঢুকে যাচ্ছে। স্কুল শিক্ষা বিভাগের অন্তর্ভূক্ত সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা-শিক্ষাকর্মীর আয়কর সংক্রান্ত জটিলতা, যা গত বছর থেকে শুরু হয়েছে। এর ফলে অনেকেই সমস্যায় পড়েছেন। কোন কোন জেলার ডিআই অনৈতিকভাবে ১৩ মাসকে ১২ মাস দেখানোর জন্য, ফিনান্সের অর্ডারকে পাশ কাটিয়ে সেই জেলার বিদ্যালয় প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছিল , কেউ যেন মার্চ, '২১-এ TDS না কাটায়, যাতে ম্যানেজ করা যায়। যেমন পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া।

এই নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের রাজ্য সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, “আমরা দাবি করছি এই সমস্যা রাজ্যগতভাবে মেটাতে হবে। আমরা চাই সব জেলায় অর্থ দপ্তরের ঐ নির্দেশিকা মতো আয়করের হিসাব এক হোক এবং সেটা এই বছর থেকেই করা হোক। আমাদের ব্যাংক একাউন্টে একই আর্থিক বর্ষে ১২ মাসের বেতন ঢোকা সত্বেও কেন ১৩ মাসের বেতনের ভিত্তিতে ট্যাক্স দিতে হবে?”

শিক্ষক সংগঠন অল পোষ্ট গ্রাজুয়েট টিচার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এর রাজ্য সভাপতি রথীন সাঁই বলেন "এই রকম সমস্যা  আগের বছরেও হয়েছিল। অনেক টালবাহানার পর সমস্যার সমাধান হয়‌। হঠাৎ করে এইরকম নির্দেশের ফলে অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন, হঠাৎ করে একধাক্কায় প্রায় ২০ হাজার টাকা বা তারো বেশি টাকা জমা করতে হবে। এই মুহূর্তে ট্যাক্স বাঁচানোর কোন প্রকল্পে জমা দেবারো সুযোগ নেই। বছরের শুরুতে না জানিয়ে অর্থবর্ষ শেষ হবার পর এইরকম নির্দেশ কতোটা যুক্তিযুক্ত?"  

সংগঠনের পক্ষ থেকে সমস্যা সমাধানের জন্য ডিআই(মাধ্যমিক), এডিএম (এডুকেশন) ও বিভিন্ন ট্রেজারি অফিসারদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। অফিস খুললেই ডেপুটেশন দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষক সংগঠনগুলি।পূর্ব বর্ধমান জেলার শিক্ষক শিক্ষিকা শিক্ষাকর্মীরা এখন একরাশ ক্ষোভ, দুশ্চিন্তা নিয়ে সমস্যা সমাধানের জন্য  অপেক্ষায় দিন গুনছেন। প্রয়োজনে সংগঠন শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা দপ্তরকেও বিষয়টি সমাধানের জন্য আবেদন করবে।