ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে আরও বিপাকে পর্ষদ? এবার ইন্টারভিউয়ের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নাম চাইল হাইকোর্ট

নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড় অস্বস্তিতে পড়তে চলেছে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। অ্যাপটিটিউড টেস্ট ছাড়াই ২০১৬ সালে প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে কিনা, তা জানতে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের কাছে রিপোর্ট তলব করল হাই কোর্ট। ২০১৬ সালের প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ আসছে অ্যাপটিটিউড টেস্ট ছাড়াই নিয়োগ করা হয়েছে।  যদিও অ্যাপটিটিউড টেস্টের নম্বর দেওয়া হয়েছে। 

২০১৬ সালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মঙ্গলবার ফের ১৯জন মামলাকারীর সাক্ষ্য গ্রহণ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁরা সকলেই জানিয়েছেন, ইন্টারভিউ হলেও তাঁদের কোনও অ্যাপটিটিউড  টেস্ট হয়নি। তাই বিচারপতির নির্দেশ, ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ইন্টারভিউয়ের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নাম ৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে মুখবন্ধ খামে জমা দিতে হবে পর্ষদকে। ‘অ্যাপটিটিউড টেস্ট’ বলতে কী বোঝায়, তা নিয়েও পর্ষদকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি।

রাজ্যে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে ইন্টারভিউয়ের অংশ হিসাবে অ্যাপটিটিউড টেস্ট করা হয়। এর জন্য আলাদা নম্বর রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এটি করা বাধ্যতামূলক। মূলত চক-পেনসিল, ব্ল্যাকবোর্ডের ব্যবহারের মাধ্যমে অ্যাপটিটিউড টেস্ট করা হয়। কিন্তু অভিযোগ, এই অংশটিকে বাদ দিয়েই শিক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে প্রিয়ঙ্কা নস্কর-সহ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থীকে কাঠগড়ায় তুলে সাক্ষ্য গ্রহণ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। সাক্ষ্য থেকে জানা যায়, বেশির ভাগ জেলায় অ্যাপটিটিউড টেস্ট করাই হয়নি। এমনকি অনেক জায়গায় শ্রেণিকক্ষের পরিবর্তে বারান্দায় ইন্টারভিউ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। এরপরেই প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সভাপতির জবাব চান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।