Kode Iklan atau kode lainnya

Big News: WBSSC ‘অযোগ্য’ শিক্ষকদের মুচলেকা নিয়ে নির্দেশিকা ঘিরে বড় খবর এল, যা জানা গেল

WBSSC UPPER PRIMARY

এসএসসি অযোগ্য শিক্ষক: নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ড নিয়ে এবার বর খবর সামনে আসছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ‘অযোগ্য’ শিক্ষকদের মুচলেকা নিয়ে নির্দেশিকা শীঘ্রই দেওয়া হবে।  দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ মেনে তথাকথিত ‘অযোগ্য’ শিক্ষকদের মুচলেকা নেবে রাজ্য স্কুল শিক্ষাদপ্তর। বুধবার বিকাশ ভবন সূত্রে।জানা গিয়েছে, দ্রুত এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা যাচ্ছে ডিআইদের কাছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের সবার ভাগ্যই ঝুলে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। তাঁরা আপাতত কাজে যোগ দেবেন এই মুচলেকার ভিত্তিতে। গরমের ছুটির পরে স্কুল খুলেছে। এবার সেই মুচলেকা স্কুলগুলির মাধ্যমে নিতে শুরু করবে দপ্তর। এই সংক্রান্ত নির্দিষ্ট ফরম্যাটও তৈরি করা হচ্ছে।

স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১৬ স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) প্যানেলে থাকা ২৬ হাজার ৫৭৩ জন শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে যায়। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যায় এসএসসি। একাধিক শিক্ষক সংগঠনও আদালতে যায়। দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টের নির্দেশে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয়। ফলে আপাতত চাকরি বহাল রয়েছে তাঁদের। তবে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশেওজানাই, যত দিন বিচার প্রক্রিয়া চলবে, তত দিনই চাকরিতে বহাল থাকলেও পরে যাঁদের বিরুদ্ধে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগ প্রমাণিত হবে, তাঁদের চাকরি বাতিলের পাশাপাশি ফেরত দিতে হবে বেতনের টাকাও। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশেই উল্লেখ করা আছে, যখন তাঁরা স্কুলে যোগ দেবেন তখন এই বেতন ফেরত দেওয়া সংক্রান্ত মুচলেকাও জমা দিতে হবে।

গরমের ছুটির পর শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা স্কুলে যোগ দিলেও তাঁরা মুচলেকা দিয়ে যোগদান করেনি স্কুলে। সরকারি স্তরে এই সংক্রান্ত কোনও নির্দেশিকা দেওয়া হয়নি মুচলেকা নিয়ে। এই পরিস্থিতিতেই এ বার 'অযোগ্য' শিক্ষকদের তালিকা প্রকাশ করার পথে হাঁটছে রাজ্যের শিক্ষা দফতর।

এই বিষয়ে শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, "সুপ্রিম কোর্টের কাছে কেন যোগ্য-অযোগ্যদের তালিকা পেশ করছে না এসএসসি বা সরকার? এখানেই তো আসল সমস্যার সমাধান লুকিয়ে। এই লুকোচুরি খেলা বন্ধ হোক। এই যোগ্য-অযোগ্যদের তালিকা স্পষ্টভাবে সুপ্রিম কোর্টে তুলে ধরা হোক। এর মাধ্যমে যোগ্যদের বিদ্যালয়ে সসম্মানে বহাল রাখা হোক এবং বঞ্চিত যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ করা হোক। আর নিয়মিত এসএসসির মাধ্যমে স্বচ্ছ ভাবে নিয়োগের ব্যবস্থা করা হোক।"

close