ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

কর্মীর অভাবে স্কুল বন্ধ হয়ে যাবে? SSC-র নতুন নিয়োগ নিয়ে কমিশনের কাছে জানতে চাইল কলকাতা হাইকোর্ট

স্কুল সার্ভিস কমিশন

নিউজ ডেস্ক: নতুন নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন করল কলকাতা হাইকোর্ট। নতুন নিয়োগ নিয়ে প্রস্তুতির কথা স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে জানতে চাইলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। যাঁরা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সরিয়ে দ্রুত নিয়োগের জন্য কতটা প্রস্তুত আপনারা? SSC-র কাছে জানতে চাইলেন বিচারপতি।

ইতিমধ্যেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের বহু পরীক্ষার্থীর চাকরি গিয়েছে অবৈধ নিয়োগের অভিযোগে। মঙ্গলবার বিচারপতি বসু বলেছেন, ‘‘কর্মীর অভাবে স্কুল বন্ধ হয়ে যাবে, এই আশঙ্কা থেকেই কি এই অযোগ্যদের চাকরি কেড়ে নেওয়া হচ্ছে না। তেমন হলে নতুন নিয়োগ করা হোক।’’ 

নিয়োগ প্রসঙ্গে এসএসসির কাছে নতুন নিয়োগ নিয়ে প্রস্তুতির কথাও জানতে চেয়েছেন বিচারপতি। এসএসসিকে তাঁর প্রশ্ন, ‘‘যাঁরা টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের সরিয়ে দ্রুত নিয়োগের জন্য কতটা প্রস্তুত আপনারা?’’ আদালত জানিয়েছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি। সে ক্ষেত্রে সে দিনই বিচারপতির প্রশ্নের জবাব দিতে পারে এসএসসি। যদিও তার আগে আদালতের নির্দেশ মেনে পরীক্ষার্থীদের আসল ওএমআর শিট প্রকাশ করার কথা এসএসসির।

স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে কড়া অবস্থানে কলকাতা হাইকোর্ট। ‘কাদের টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে, জানতেই হবে CBI-কে’, এমনই নির্দেশ দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। পাশাপাশি, ফের OMR প্রকাশের নির্দেশ দিলেন তিনি। 

OMR শিট কাণ্ডে আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সেই উত্তরপত্র প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সিবিআই গাজিয়াবাদ থেকে যে সব ওএমআর উদ্ধার করেছে সেগুলোই প্রকাশ করার কথা বলা হয়েছে।

CBI-কে নির্দেশ দিয়ে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু বলেন, ‘যাঁরা বিতর্কিত নিয়োগ পেয়েছেন, সিবিআই (CBI) তাঁদের ধরে সোজা জিজ্ঞেস করুক, কাকে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন। এটা কি ইয়ার্কি হচ্ছে! কাদের টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে এটা জানতেই হবে সিবিআইকে।”

মঙ্গলবার বিচারপতি নির্দেশ দিয়েছেন, ‘৪ হাজার ৪৮৭ জন চতুর্থ শ্রেণির কর্মী ও ওয়েটিং লিষ্টে থাকা প্রার্থীদের ওএমআর শিট প্রকাশ করতে হবে।’ আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে সেই উত্তরপত্র প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্কুল সার্ভিস কমিশনের গ্রুপ ডি পদে নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই মামলা হয়েছিল। ওএমআর-এর তথ্য বিকৃত করার কথা আদালতে আগেই জানিয়েছিল সিবিআই। সেই সব প্রার্থীর নাম, ঠিকানা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি বসু।