ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

শিক্ষকদের তালিকা আজই দিতে হবে সব স্কুলগুলোকে, কেন এই নির্দেশ?

শিক্ষকদের তালিকা

নিউজ ডেস্ক: শিক্ষকদের তালিকা আজই দিতে হবে সব স্কুলগুলোকে। মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের চাকরির বিজ্ঞপ্তির পরে যে-সব শিক্ষক ২০১৮-য় নিয়োগপত্র  যোগ দিয়েছেন, তাঁদের তালিকা তো চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি যাঁরা নিয়োগপত্র পেয়েও স্কুলে যোগ দেননি, চেয়ে পাঠানো হয়েছে সেই সব শিক্ষকপদ প্রার্থীর তালিকাও। শিক্ষা সূত্রের খবর, প্রতিটি স্কুলকে আজ, সোমবারের মধ্যেই ওই তালিকা জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে জমা দিতে হবে।

রাজ্য সরকারের অধীন সংস্থা মধ্যশিক্ষা পর্ষদই স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়োগপত্র দেয়। ফলে কোন স্কুলে কত শিক্ষক বা শিক্ষিকা আছেন, কত জনই বা নিয়োগপত্র পেয়েও স্কুলে যোগ দেননি, স্বাভাবিক নিয়মে সেই খতিয়ান পর্ষদ এবং শিক্ষা দফতরের কাছেই থাকার কথা। তা সত্ত্বেও মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সব মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের কাছে শিক্ষকদের তালিকা চেয়েছে বলে শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর। 

কেন? স্কুলে নিয়োগে দুর্নীতি সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্ত করছে সিবিআই। তাদের দাবি মেনে, তদন্তের স্বার্থেই স্কুলগুলির কাছে ফের সাম্প্রতিক শিক্ষক-তালিকা চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে জানাচ্ছেন এক শিক্ষাকর্তা।

পর্ষদ সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের চাকরির বিজ্ঞপ্তির পরে যে-সব শিক্ষক ২০১৮-য় নিয়োগপত্র পেয়ে স্কুলে যোগ দিয়েছেন, তাঁদের তালিকা তো চাওয়া হয়েছেই। পাশাপাশি যাঁরা নিয়োগপত্র পেয়েও স্কুলে যোগ দেননি, চেয়ে পাঠানো হয়েছে সেই সব শিক্ষকপদ প্রার্থীর তালিকাও। শিক্ষা সূত্রের খবর, প্রতিটি স্কুলকে আজ, সোমবারের মধ্যেই ওই তালিকা জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে জমা দিতে হবে। জেলা স্কুল পরিদর্শক সেই তালিকা পাঠাবেন শিক্ষা দফতরে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নবম-দশম ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে নিয়োগ হওয়া শিক্ষকদের যাবতীয় তথ্য জানাতে হবে আগামী সোমবারের মধ্যে। ডিআইদের কী ভাবে এই তথ্য জানাতে হবে, তা-ও উল্লেখ করে দেওয়া হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে। চাকরিপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নাম, রোল নম্বর, চাকরিপ্রার্থীর মেমো নম্বর, নিয়োগপত্র ও চাকরিতে যোগদানের দিনক্ষণের উল্লেখ করতে বলা হয়েছে ওই বিজ্ঞপ্তিতে। 

চাকরি পেয়ে চাকরিতে যোগদান না করা চাকরি প্রার্থীদেরও তথ্য জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই বিজ্ঞপ্তিতে। এ ক্ষেত্রে চাকরিতে যোগ না দেওয়া ব্যক্তির নাম, রোল নম্বর, মেমো নম্বর, নিয়োগপত্র ও কোন স্কুলে কোন বিষয়ে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েও যোগদান করেননি, সেই বিষয়টির উল্লেখ করতে বলা হয়েছে। তবে কোন বছরে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের তথ্য তলব করা হয়েছে, তা ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে উল্লেখ না করায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সিবিআই তদন্তের জন্য এই নথি তলব করা হয়েছে।  তবে কোন বছরে চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের তথ্য তলব করা হয়েছে, তা ওই বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে উল্লেখ না করায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। যা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে শিক্ষক সংগঠনগুলি। কারণ, ২০১২ সালের পর থেকে বেশ কয়েক বার উচ্চ প্রাথমিক, নবম-দশম ও একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল। তাই স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, কোন বছরে শিক্ষক নিয়োগে তথ্য জানতে চেয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ?