ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

SSC: ১৩ হাজার শিক্ষকের তালিকা দিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, কী জানাচ্ছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামীম? জানুন বিস্তারিত

SSC: ১৩ হাজার শিক্ষকের তালিকা দিল মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, কী জানাচ্ছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামীম? জানুন বিস্তারিত

নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই বৈঠকে বসল স্কুল সার্ভিস কমিশন। এক সপ্তাহের মধ্যে বেআইনি নিয়োগের তালিকা পেশ করতে হবে বলে গতকাল একযোগে সিবিআই ও কমিশনকে নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। এরপরেই বৃহস্পতিবার বেআইনি নিয়োগ খুঁজে বের করতে উদ্যোগ নেয় কমিশন। বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ শুরু হয় কমিশনের ত্রিপাক্ষিক বৈঠক। এদিন আধ ঘন্টার মত বৈঠক হয়। 

স্কুল সার্ভিস কমিশনের পক্ষ থেকে মামলাকারীদের আইনজীবীদের কাছে প্রায় ১৩ হাজার শিক্ষকের তালিকা দেওয়া হয়। সেই তালিকায় প্রার্থীদের কেবল নাম এবং রোল নম্বর দেওয়া হয়েছে। মামলাকারীদের আইনজীবীরা মনে করছেন মাত্র এই দুটি তথ্য দিয়ে প্রকৃত অযোগ্যদের খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে না।

যদিও স্কুল সার্ভিস কমিশনের পক্ষ থেকে আর কোনও নথি বা তথ্য দেওয়া হয়নি। এসএসসি-র পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে আগামী ২৮ তারিখে আদালতে রিপোর্ট জমা দেবে।  কারা কারা অবৈধ ভাবে নিয়োগ পেয়েছেন, চিহ্নিত করে সেদিন আদালতে তুলে দেওয়া হবে। ওই দিনই সিবিআই এবং এসএসসি আদালতে রিপোর্ট জমা করবে। ফলে সেদিন কিছুটা পরিষ্কার হবে অবৈধ নিয়োগ প্রার্থীদের সম্পর্কে। সেক্ষেত্রে অযোগ্যদের তৎক্ষণাৎ বরখাস্ত করে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ করা হবে। 

এই বিষয়ে আইনজীবী ফিরদৌস শামীম বলেন, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ কতজনকে নিয়োগ পত্র দিয়েছে তাঁর লিস্ট এদিন দেওয়া হয়েছে। স্কুল সার্ভিস কমিশন খুঁজে দেখবে এর মধ্যে কারা যোগ্য বা অযোগ্য প্রার্থী আছেন। আমরা আমাদের মত খুঁজে বের করবো, যে এই লিস্টে কতজন অযোগ্য আছেন। এখন দেখা যাক স্কুল সার্ভিস কমিশন কত জন অযোগ্য প্রার্থীদের খুঁজে পেয়েছে। সেটা ২৮ তারিখেই প্রকাশ পাবে। তারপরেই পরবর্তী বিষয় শুরু হবে।

এদিন, স্কুল সার্ভিস কমিশনের দফতরেই বৈঠক হয়। উপস্থিত ছিলেন কমিশনের আইনজীবী, মামলাকারীদের আইনজীবী এবং মধ্য শিক্ষা পর্ষদের সদস্যরা। এর আগে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন অযোগ্য প্রার্থীদের বাতিল করার। অন্যদিকে ওয়েটিংয়ে রয়েছেন, তাঁদের চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন বিচারপতি।

আজ, বৃহস্পতিবারের বৈঠকে মূলত মেধাতালিকা ও ওয়েটিং লিস্ট খতিয়ে দেখা হয়। আরটিআই করে ওয়েটিং লিস্টে নাম থাকা অনেক প্রার্থী জানতে পেরেছেন, যাঁরা চাকরি পেয়েছেন তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ওয়েটিং লিস্টে থাকা প্রার্থীদের তুলনায় কম। তাই এ দিন দুই তালিকা খতিয়ে দেখতে হবে আইনজীবী ও আধিকারিকদের।