ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

‘প্রাথমিকে অকল্পনীয় দুর্নীতি হয়েছে, শিহরিত করবে মানুষকে' আদালতে জোড়া রিপোর্ট CBI-এর

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি মামলা

নিউজ ডেস্ক: 'অকল্পনীয় দুর্নীতি, শিহরিত করবে মানুষকে', প্রাথমিকে দুর্নীতি মামলায় আদালতে রিপোর্ট পেশ করল সিবিআই। প্রাথমিকে দুর্নীতি মামলা, মুখবন্ধ খামে সিবিআইয়ের জোড়া রিপোর্ট। তাঁতে বিস্ফোরক দাবি করেছে সিবিআই। 

এটা আসলেই বিস্ময়কর, সিবিআইয়ের রিপোর্ট দেখে প্রতিক্রিয়া বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের। এদিন যে রিপোর্ট সিবিআই জমা দিয়েছে, তা কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা ছাড়া জানেন শুধু বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

সুনির্দিষ্ট পথে এগোচ্ছে তদন্ত, শেষ পর্যায়ে রয়েছি, কোর্টে জানাল সিবিআই। ‘ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে, অকল্পনীয় দুর্নীতি, শিহরিত করবে মানুষকে’। পরীক্ষাই দেননি, অথচ অনেককে নিয়োগপত্র, কোর্টে দাবি সিবিআইয়ের। ‘পার্থর দেহরক্ষীর ১০ ঘনিষ্ঠের নথি পরীক্ষা করবেন মামলাকারীর ২ আইনজীবী’। ১৭ অক্টোবর পর্ষদের অফিসে গিয়ে নথি পরীক্ষার নির্দেশ আদালতের।

সিবিআই (CBI) কোর্টে জানিয়েছে, ''সুনির্দিষ্ট পথে এগোচ্ছে তদন্ত। শেষ পর্যায়ে রয়েছে তদন্ত। প্রাথমিক নিয়োগে অকল্পনীয় দুর্নীতি হয়েছে। পরীক্ষা না দিয়েই নিয়োগপত্র দিয়ে চাকরিতে ঢোকানো হয়েছে অনেককে।'' এই রিপোর্ট দেখে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ছিল, ''বিস্ময়কর।'' একইসঙ্গে ১৭ অক্টোবর সিবিআইকে পর্ষদের (Primary Teacher Appointment) নথি পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

শুনানিতে এর আগেই সিবিআই জানিয়েছিল, বহু লোক ব্ল্যাঙ্ক OMR Sheet জমা দিয়েও চাকরি করছে। যে সব নথি ফরেন্সিক পরীক্ষায় পাঠানো হয়, সেইসব নথি জাল বলে রিপোর্ট এসেছে। সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন বেআইনি ইঙ্গিত যথেষ্ট গুরুতর বলে পর্যবেক্ষণ ছিল ডিভিশন বেঞ্চের।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছিল। ২০১৫ সালে TET পরীক্ষা হয় এবং ২০১৬ সালে মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে, ২০১৭ সালে অ্যাডিশনাল একটি মেধাতালিকা প্রকাশিত হয়েছিল। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা অনুযায়ী ১৬,৫০০টি শূন্যপদে প্রাথমিক শিক্ষকপদে নিয়োগ শুরু হয়। এই গোটা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চরম দুর্নীতি হয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।