ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

অর্পিতার ৫০ কোটি তো নস্যি! থরে থরে নোট, হিরে, জহরত, সোনাদানা! আয়কর হানায় উদ্ধার ৪০০ কোটির সম্পত্তি

আয়কর হানায় উদ্ধার প্রায় ৪০০ কোটির সম্পত্তি

নিউজ ডেস্ক: অর্পিতা মুখোপাধ্যায় যেন নস্যি! আয়কর হানায় উদ্ধার প্রায় ৪০০ কোটির সম্পত্তি। থরে থরে নোট, হিরে, জহরত, সোনাদানা! নগদ টাকা, সোনাদানা এবং হিরে-জহরত মিলিয়ে মোট ৩৯০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। যা গুনতে ১৩ ঘণ্টা সময় লেগেছে আয়কর দফতরের।

পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তরপ্রদেশের পর এবার অভিযান চালানো হয়েছে মহারাষ্ট্রের এক বড় ব্যবসায়ীর বাড়িতে।  আয়কর দফতরের এই অভিযানে ৩৯০ কোটি টাকার বেনামি সম্পদ ধরা পড়েছে। মহারাষ্ট্রের জালনায় এক স্টিল, টেক্সটাইল এবং রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীর অভিযানে, আইটি বিভাগ ৫৮ কোটি টাকা নগদ, ৩২ কেজি সোনা, হীরা এবং মুক্তা এবং অনেক সম্পত্তির কাগজপত্র উদ্ধার করেছে।

তথ্য অনুযায়ী, আয়কর দফতর ১ আগস্ট থেকে ৮ আগস্টের মধ্যে হানা দেয়  ডিপার্টমেন্টের নাসিক শাখা এই কাজটি করেছে। মোট পাঁচটি দলে ভাগ হয়ে অভিযান চালানো হয়।  ১২০টি গাড়ি ব্যবহার করে পুরো ফিল্মি স্টাইলে অভিযান চালানো হয়।  বেনামি টাকা থাকা ব্যবসায়ীকে কোনো সুযোগ দেওয়া হয়নি।

জালনায় কর্মরত চারটি স্টিল কোম্পানির লেনদেনে কিছু অনিয়ম রয়েছে বলে দীর্ঘদিন ধরে তথ্য পাচ্ছিল আয়কর বিভাগ।  এ তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর পুরো প্রস্তুতি নিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় বিভাগ।  আয়কর দফতরের দল প্রথমে বাড়ি ও কারখানায় অভিযান চালালেও কিছুই পায়নি।  এরপর শহরের বাইরে অবস্থিত ফার্ম হাউসে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, স্বর্ণ ও হীরাসহ অনেক সম্পত্তির কাগজপত্র পাওয়া যায়।

তথ্য অনুযায়ী, ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পাওয়া টাকা নিয়ে যাওয়া হয় জালনার স্থানীয় এসবিআই শাখায়।  এখানে নোটগুলি গণনা করতে প্রায় ১৩ ঘন্টা সময় লেগেছে।  সকাল ১১টায় শুরু হওয়া নগদ গণনা দুপুর ১টায় শেষ হয়।

এর আগে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট অর্থাৎ ইডি-র অভিযানের পরে, পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন ক্যাবিনেট মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী অর্পিতা মুখার্জির ফ্ল্যাট থেকে ৫০ কোটি নগদ উদ্ধার করা হয়েছিল।  এছাড়াও, উত্তরপ্রদেশের কানপুর-ভিত্তিক সুগন্ধি প্রস্তুতকারক পীযূষ জৈনের অভিযানে ১৯৭ কোটি টাকার নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।