ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

ব্রেকিং: শিক্ষক নিয়োগে ফের সিবিআই তদন্তের নির্দেশ, নতুন নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি

 

নিউজ ডেস্ক: আরও এক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় সিবিআই-কে তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ফের এসএসসি নিয়োগে CBI তদন্ত। CBI তদন্তের নির্দেশ বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার।  প্যানেলে অনেক নীচে থাকা সত্ত্বেও চাকরি পেয়েছিলেন সিদ্দিক গাজী। তাঁকে আগেই চাকরি থেকে বরখাস্ত করে আদালত। এবার সেই মামলাতেও সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হল। 

অনুপ গুপ্তের করা মামলায় সিদ্দিক গাজির নিয়োগ নিয়ে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। সিদ্দিক গাজির মামলার যাবতীয় নথি সিবিআইকে পাঠিয়ে তদন্তে সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। 

পাশাপাশি, সুপার নিউমারিক পোষ্ট তৈরি করে নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তুলে দিল আদালত। বুধবার সরকারি আইনজীবী সম্রাট সেন আদালতে জানান, প্রার্থীদের দাবি ন্যায্য হলে তাঁদের চাকরি দেওয়ার জন্য সুপার নিউমারিক পোষ্ট তৈরি করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সেই নতুন পদে যাঁরা যোগ্য তাঁরা চাকরি পাবেন। 

যদিও বিচারপতি এটা শুনে খুব একটা সন্তোষ প্রকাশ করেননি। যাঁরা চাকরি পাননি, অসন্তুষ্ট হয়েছেন তাঁদের জন্য সুপার নিউমারিক পোষ্ট তৈরি করা হচ্ছে, এটা আসলে একটা অসুখকে ঢাকতে আর একটা অসুখকে ডেকে আনা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, এই সব নিয়োগ করার সময় নতুন কোনও দুর্নীতি হবে না, সেই প্রতিশ্রুতি কে দেবেন?

এসএলএসটি নবম-দশমের অঙ্কের শিক্ষক হিসেবে চাকরি পেয়েছিলেন সিদ্দিক গাজী। মামলাকারী অনুপ গুপ্তার অভিযোগ, তাঁর থেকে অনেক পরে নাম ছিল সিদ্দিক গাজীর। তালিকায় তাঁর থেকে ৭৫ জনের পরে নাম ছিল সিদ্দি গাজীর। কিন্তু তাঁকে চাকরি দেওয়া হয়।

আদালত প্রাথমিক ভাবে অভিযোগের সারবত্তা পেয়েছে। এরপরেই ওই শিক্ষকের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। এবার অনিয়মের অভিযোগ উঠল নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে। এর আগে মন্ত্রী-কন্যা অঙ্কিতা অধিকারীর চাকরি বাতিল করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়।

বুধবার  বিচারপতি মান্থার এজলাসে শুনানির সময় রাজ্যের তরফে বলা হয়, অঙ্কের শিক্ষক সিদ্দিক গাজীকে নাকি আগেই চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। যা শুনে রীতিমতো বিস্মিত বিচারপতির। বিচারপতির প্রশ্ন, এই সিদ্ধান্ত যদি আগেই নেওয়া হয়ে থাকে তাহলে কেন তা আদালতকে জানানো হল না? মামলাকারীদেরই বা কেন সেই তথ্য দেওয়া হল না? পাশাপাশি সিদ্দিক গাজীর সমস্ত কাগজপত্র সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি মন্থার। পাশাপাশি মামলাকারীর অনুপ গুপ্তর নিয়োগের বিষয়টিও বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি৷ এছাড়াও ২০১৬-র নবম দশমের নম্বরের ব্রেক আপ প্রকাশ করা নিয়ে আগের দেওয়া নির্দেশ  কার্যকর করতে হবে।

সোমবার নবম ও দশম শ্রেণিতে বেআইনিভাবে শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত অভিযোগে মামলাটি শুনানি হয় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চে। এদিন শুনানিতে বিচারপতি মান্থার পর্যবেক্ষণ, মেধাতালিকা (Merit List) পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, ২০০-র মধ্যে থাকা প্রার্থী চাকরি পাননি, অথচ চাকরি পেয়েছেন মেধাতালিকার ২৭৫ নম্বরে থাকা স্থানাধিকারী। এরপরই তিনি মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে নির্দেশ দেন, কর্মরত গণিত শিক্ষক সিদ্দিক গাজির চাকরি বাতিল করতে হবে।