ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

নতুন ৫২৬১ শিক্ষক নিয়োগেও স্থগিত! নিয়োগে কেউ পার পাবে না: কলকাতা হাইকোর্ট

 

নিউজ ডেস্ক: ফের অস্বস্থিতে স্কুল সার্ভিস কমিশন। নবম-দশমের জন্য শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ হল ১৭ জুন পর্যন্ত। শিক্ষক নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নবম ও দশম শ্রেণির জন্য শিক্ষক নিয়োগে ২০১৬ সালের এসএলএসটি ফের গুরুতর প্রশ্নের মুখে। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এই নিয়োগের জন্য তৈরি প্যানেলে নির্বাচিতদের যাবতীয় তথ্য প্রকাশ করতে বললেন। 

মামলকারীর দাবি, প্রত্যেকের প্রাপ্ত নম্বরের ‘ব্রেক-আপ’ সহ মেধা তালিকা ও ওয়েটিং তালিকা প্রকাশ করতে হবে। প্রত্যেকের আবেদনপত্রও প্রকাশ করতে হবে। সেইমতোই এদিন নির্দেশ জারি হয়। 

এর ফলে, যে নতুন ৫ হাজার ২৬১ শিক্ষক-পদ তৈরি করে তাতে নিয়ােগের ঘােষণা গত সপ্তাহে রাজ্য সরকার করেছিল, তা থমকে গেল আপাতত। কারণ, সরকার জানিয়েছিল, ওই নতুন পদগুলিতে নিয়ােগ হবে ২০১৬ সালের এসএলএসটি নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক পদে আবেদন করা প্রার্থীদের ওয়েটিং লিস্ট থেকে। এদিন হাইকোর্টএসএলএসটি নবম-দশম শ্রেণির যাবতীয় নিয়ােগ ও ওয়েটিংয়ে থাকা প্রার্থীদের তালিকা ফের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) ওয়েবসাইটে ১০ দিনের মধ্যে আপলােড করার নির্দেশ দিয়েছে। 

আদালত মনে করিয়ে দিয়েছে, যদি এই মেধা তালিকায় কোনও বেআইনি কিছু বা অস্বচ্ছতা না-পাওয়া যায়, তা হলে যাঁরা চাকরি পেয়ে গিয়েছেন, তাদের কোনও সমস্যা হবে না। কিন্তু যদি বেআইনি কিছু ধরা পড়ে, তা হলে কেউ পার পাবেন না বলে আদালত জানিয়েছে। হাইকোর্টের বক্তব্য, শুধু তালিকা প্রকাশ করলেই হবে না, তাতে প্রত্যেক প্রার্থীর নাম, ঠিকানা, রােল নম্বর যেমন থাকতে হবে, তেমনই সেই প্রার্থী লিখিত, মৌখিক এবং শিক্ষকতার প্রশিক্ষণ-সহ শিক্ষাগত যােগ্যতা, কোনটায় কত নম্বর পেয়েছেন, সে সবও সবিস্তার জানাতে হবে ওই মেধা তালিকায়। মামলায় যুক্ত সব পক্ষ দেখার পর সেই তালিকার কোথাও কোনও ভুল থাকলে তা যাতে ধরিয়ে দেওয়া যায়, আদালত সেই নির্দেশ দিয়েছে। 

এর আগে মেধাতালিকা প্রকাশের সময় প্রার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর প্রকাশ করেনি কমিশন। যদিও এবার কে কোন খাতে কত নম্বর পেয়েছেন, প্রার্থীদের অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম ইত্যাদিও স্কুল সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইটে ১০ দিনের মধ্যে তুলতে হবে। ১৭ জুন পর্যন্ত এই পর্যায়ে কোনও নিয়োগও করা যাবে না। যদিও ইতিমধ্যেই প্রায় ১১ হাজার নিয়োগ হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।  

মামলাকারী সোমা সিনহা’র আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য, সুদীপ্ত দাশগুপ্ত ও বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় চাঞ্চল্যকর বহু উদাহরণ মামলার নথিতে পেশ করেছেন। সেই তথ্য অনুযায়ী ওয়েটিং লিস্টে পরে থাকা প্রার্থীরা চাকরি পেলেও, তালিকার প্রথমদিকে থাকা প্রার্থীদের চাকরি তো দূরের কথা,  কাউন্সেলিং বা ইন্টারভিউতেও ডাক পাননি। যাঁদের ঠিকানা পেলে মামলায় যুক্ত করার আর্জি পেশ হয়েছে।