ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

সিবিআই তদন্ত নয়, স্কুলে গ্রুপ-ডি কর্মী নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে প্রাক্তন বিচারপতির নেতৃত্বে কমিটি

 

নিউজ ডেস্ক: মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া প্যানেলের প্রার্থীদের স্কুল সার্ভিস কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে পর্ষদ নিয়োগপত্র দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। প্রথমে ২৫ ও পরে আরও ৫০০ এমন প্রার্থীর নাম-ঠিকানার তালিকা সহ নিয়োগপত্র, চাকরি থেকে বঞ্চিতরা আদালতে জমা করেন। বেঞ্চের নির্দেশে সেইসব সুপারিশপত্র কমিশনকে হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জমা করতে হয়েছে। 

এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের একক বেঞ্চ নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তের ক্ষেত্রে সিবিআই তদন্ত দেয়। তবে নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বাতিল করল বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ। পরিবর্তে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্তকারী দল গঠন করে দিল রাজ্যের শীর্ষ আদালত। ২ মাসের মধ্যে যাঁরা বেঞ্চকে রিপোর্ট দেবে। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে আশুতোষ ঘোষ, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সহসচিব পরামিতা রায় সহ ওই দলে রয়েছেন আইনজীবী অরুণাভ বন্দ্যোপাধ্যায়। বেঞ্চের নির্দেশ, তদন্তকারী দলের যাবতীয় খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার।

শুনানিতে বিচারপতি ট্যান্ডন অভিমত দেন যে, সব পক্ষই মেনে নিয়েছে এবং নথিও বলছে, এইসব নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। ফলে সত্য঩কে সামনে আনার স্বার্থেই তদন্তের প্রয়োজন। কেউ ছাড় পাবে না। সামান্যতম অনিয়ম হয়ে থাকলেও ন্যায়বিচারের স্বার্থেই তদন্ত প্রয়োজন। আদালত নীরব দর্শক হয়ে থাকতে পারে না।

যাঁদের নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ, তাঁদের তরফে বলা হয়, মূল মামলায় কোনও তদন্তের দাবি করা হয়নি। তাই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া যায় না। অন্যদিকে কমিশন দাবি করে, এক বিচারপতির নেতৃত্বে এক সদস্যের কমিটিকে তদন্ত করতে বলা হোক। যে আবেদনে সাড়া না দিয়ে বেঞ্চ বলেছে, কোনও মামলার নথিতে যদি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির হদিশ মেলে, যদি দেখা যায় যোগ্য প্রার্থীদের অন্যায়ভাবে বঞ্চিত করা হয়েছে, তারপরেও কি ঘুরপথে চাকরি পাওয়াদের নিয়োগ আদালত বাতিল করতে পারে না? কেন সেক্ষেত্রে তদন্ত হবে না?