ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণীর জন্য স্কুলের পঠন-পাঠন শুরু হচ্ছে না জানুয়ারিতে!

 

নিউজ ডেস্ক: নবম থেকে দ্বাদশের স্বাভাবিক পঠন-পাঠন শুরু হলেও প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণীর জন্য জানুয়ারিতেই স্কুলের পঠন-পাঠন শুরু হচ্ছে না। সোমবার পুস্তক সপ্তাহ পালন নিয়ে বিকাশ ভবন অর্ডার বের করেছে। সেখানে বলা হল, জানুয়ারিতে যেহেতু অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল বন্ধই থাকছে, তাই ৭ জানুয়ারির মধ্যে ওই সব ক্লাসের পড়ুয়াদের অভিভাবকদের হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দিতে হবে। এর জন্য স্থানীয় প্রশাসন এবং শিক্ষক সংগঠনগুলির সাহায্য নিতেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানুয়ারি মাসে স্কুলের মিড ডে মিলের সামগ্রী অভিভাবকদের বিলি করার অর্ডার হয়েছিল আগেই। তাতে আগেই ইঙ্গিত মিলেছিল, আগের পরিকল্পনা থেকে সরে আসছে শিক্ষাদপ্তর—প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির জন্য স্কুল খুলছে না জানুয়ারিতে। 

শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকদের মতে, হঠাৎ বিশ্বজুড়ে ওমিক্রনের বাড়বাড়ন্তে স্কুল খোলা নিয়ে ধীরে চলো নীতিতে এগতে চাইছে রাজ্য সরকার। তার উপর উঁচু ক্লাসেই পড়ুয়াদের হাজিরার ছবি আশাব্যঞ্জক নয়। তাই এখন নিচু ক্লাসের জন্য স্কুল খুললে আদৌ কতজন আসবে, তাও ভাবতে হচ্ছে দপ্তরকে। স্কুল খোলার জন্য বিভিন্ন স্তরের প্রস্তুতি নিয়েও তাই পিছু হটতে হয়েছে। 

যদিও রাজ্যের এই সিদ্ধান্ত মানতে চাইছে না শিক্ষক সংগঠন গুলো। তাঁরা দ্রুত প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকের স্কুল খোলার দাবিতে অনড়। অ্যাডভান্সড সোসাইটি অব হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসেস-এর শনি ও রবি দু’দিনব্যাপী রাজ্য সম্মেলনের মূল আলোচ্যই ছিল নিচু ক্লাস খোলার দাবি।

শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী-শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের রাজ্য সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী বলেন, “শিক্ষা দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত বই দিবস। অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বই দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের হাতে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তার মানে শিক্ষাবর্ষের প্রথম থেকে নিচু শ্রেণির পঠন-পাঠন শুরু হচ্ছে না। আর মাত্র কয়েকদিন পর নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হচ্ছে অথচ শিক্ষা দপ্তর থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিদ্যালয় পঠন-পাঠন শুরু কোন নির্দেশিকা নেই! এর ফলে অভিভাবকগণ বেসরকারি বিদ্যালয়ে নিজের সন্তানদের ভর্তি করতে বাধ্য হবেন। ক্রমশ সরকারি বিদ্যালয় গুলি থেকে ছাত্র সংখ্যা কমবে। সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি শিক্ষার দিকে কি ঠেলে দেয়া হচ্ছে না অভিভাবকদের?”

অন্যদিকে, বিভিন্ন জেলায় প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্কুলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। যদিও জেলা প্রশাসনের দাবি, ভর্তি, বই বিলি সংক্রান্ত কাজের জন্যই এই নির্দেশ।