ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

জয়েন্ট বিডিও-র চাকরি ছেড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দিলেন আশিস

 আশিস নায়েক


নিউজ ডেস্ক: জয়েন্ট বিডিও-র চাকরি ছেড়ে এ বার মানুষ গড়ার কারিগর হলেন আশিস নায়েক।  মালদহের বামনগোলার জয়েন্ট বিডিও হিসাবে এত কাল সমষ্টি গড়ার দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। এ বার সমষ্টি উন্নয়নের সেই দায়িত্ব ছেড়ে মানুষ গড়ার দায়িত্ব তুলে নিলেন আশিস নায়েক। 

জয়েন্ট বিডিও (যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক)-র দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার কাজে যোগ দিয়েছেন তিনি। প্রশাসনিক আধিকারিকের পদ থেকে সরে এসে এক জন জয়েন্ট বিডিও শিক্ষকতায় যোদ দিচ্ছেন— এমন খবরে স্বাভাবিক ভাবেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

গত সপ্তাহে, রাজ্য সরকার তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দিয়েছে এবং তাকে মালদার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদানের অনুমতি দিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “রাজ্যপাল শ্রী আশিস নায়েক (জয়েন্ট ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার, বামনগোলা ব্লক, মালদা) কে পদত্যাগের পর জয়েন্ট ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের চাকরি থেকে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দিয়ে খুশি। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকের পদে যাওয়ার সুবিধার্থে পদত্যাগের জন্য শ্রী নায়েকের প্রার্থনার ভিত্তিতে আদেশটি জারি করা হয়েছে।"

জয়েন্ট বিডিও-র পদ থেকে মাস ছয়েক আগে ইস্তফাপত্র দিয়েছিলেন আশিস। সম্প্রতি সেই ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে। গত ৯ নভেম্বর রাজ্যের পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দফতরের তরফে তাঁকে সে কথা জানিয়েও দেওয়া হয়েছে। স্কুলের চাকরি থেকে সরকারি আধিকারিকের কাজে যোগ দিয়েছেন অনেকেই। কিন্তু এমন প্রথার বিরুদ্ধে হেঁটে আশিসের এই সিদ্ধান্তে স্বাভাবিক ভাবেই হাজারও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। কেন তিনি এমন পদক্ষেপ করলেন? আশিসের সংক্ষিপ্ত জবাব, ‘‘এটা আমার ব্যক্তিগত ব্যাপার।’’ এ ব্যাপারে কোনও বিতর্ক নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সাম্প্রতিক ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকারি কর্মকর্তা, যিনি প্রায় ১৫ বছর চাকরি করেছেন এবং অপেক্ষাকৃত কম সুবিধা নিয়ে চাকরি বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আশিস নায়েক চাকরিতে থাকলে, তিনি পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিসের একজন নির্বাহী পদমর্যাদার কর্মকর্তা হিসেবে অবসর নিতে পারতেন।