ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

ত্রিপুরায় কংগ্রেস-বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে বাড়ছে ভিড়, আমল দিতে নারাজ বিজেপি

 তৃণমূল বিজেপি

নিউজ ডেস্ক: বাংলায় বিপুল সাফল্য পাওয়ার পর তৃণমূলের নজর এখন ত্রিপুরায়। ত্রিপুরা দখলে পাখির চোখ করেছে রাজ্যের শাসকদল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হ্যাট্রিকের রেশ পড়েছে এই বাঙালি অধ্যুষিত ছোট রাজ্যেও। সেখানেও শুরু হয়ে গিয়েছে অন্যান্য দল ছেড়ে নেতা, কর্মীদের তৃণমূলে যোগদানের হিড়িক। ইতিমধ্যেই অন্তত ৪০ জন নানা মাপের নেতা তৃণমূলে যোগদান করেছেন৷ তাঁদের মধ্যে কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন হেভিওয়েটের পাশাপাশি বিজেপির একাধিক পরিচিতও মুখও রয়েছেন বলে খবর৷ যদিও এই দলবদলকে তেমন আমল দিতে নারাজ বিজেপি।

দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) ত্রিপুরায় পৌঁছনোর পর ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কমিটি ঘোষণা করা হবে৷ ২০১৯ সালে কেন্দ্রে মোদি সরকারের দ্বিতীয় ইনিংস শুরুর বছরেই বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন সুবল ভৌমিক, প্রকাশ দাস, মহম্মদ ইদ্রিস মিঁয়া, তপন দত্ত, পান্না দেব, প্রেমতোষ দেবনাথ এবং বিকাশ দাস৷ বাংলায় মমতার হ্য়াটট্রিকের পর সেই তাঁরাই এবার যোগ দিলেন ত্রিপুরা তৃণমূলে।

তৃণমূল শিবিরের দাবি, তাঁদের পদক্ষেপে অশনিসংকেত দেখছে গেরুয়া শিবির৷ তাই যে হোটেলে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে যোগদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়, তার বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। এমনকী, সংশ্লিষ্ট হোটেল কর্তৃপক্ষকেও তৃণমূলের কোনও কর্মসূচির জন্য হোটেল ভাড়া না দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে৷ গ্রেফতার করা হচ্ছে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থা আইপ্যাকের সদস্যদেরও।

যদিও তৃণমূলকে খুব একটা পাত্তা দিচ্ছে না ত্রিপুরা বিজেপি। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানকারী তথা বিজেপি বিধায়ক রতন চক্রবর্তীর দাবি, তৃণমূল আসলে জাতীয় দলের মর্যাদা টিকিয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে৷ সেই কারণেই ত্রিপুরা নিয়ে হঠাৎ এত মাতামাতি করছে তারা৷ রতনের কথায়, ‘‘জাতীয় দলের স্বীকৃতি বাঁচাতে তৃণমূলকে অন্তত ছয় শতাংশ ভোট নিশ্চিত করতে হবে৷ আর সেই কারণেই ত্রিপুরা নিয়ে উঠে-পড়ে লেগেছে তারা৷’’