ব্রেকিং

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget

আগামীকাল ডিএ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলাটি উঠছে কলকাতা হাইকোর্টে

 

নিউজ ডেস্ক:  রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ডিএ নিয়ে ক্ষোভ অনেক দিনের। কর্মচারীদের দাবি বকেয়া ডিএ ও কেন্দ্রীয় হারে বেতন দিতে হবে। আর এই দাবিতে মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে। আগামীকাল সোমবার, ১৯ জুলাই মামলাটি বিচারপতি সৌমেন সেন  এবং বিচারপতি হিরণময় ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চে উঠছে। মামলাটি ৬১ নম্বর সিরিয়ালে আছে। 

কেন্দ্রীয় হারে ডিএ বা মহার্ঘ ভাতার দাবি নিয়ে স্যাটে মামলা করেছিল কংগ্রেস সমর্থিত ‘কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্মেন্ট এমপ্লয়িজ়’। রাজ্য সরকারকে স্যাট স্পষ্ট জানিয়ে দেয় ছয় মাসের মধ্যেই বকেয়া ডিএ দিতে হবে। হাইকোর্টে স্যাট রায় চ্যালেঞ্জ করল রাজ্য। এরআগে ২৩ সেপ্টেম্বর স্যাট রাজ্যের পুনর্বিবেচনা আবেদন খারিজ করে দেয়। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে আইনি লড়াইয়ে যায় রাজ্য। 

গত বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা কেন্দ্রীয় সরকার কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের মহার্ঘ ভাতা ১৭ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি করে ২৮ শতাংশে করার অনুমোদন দিয়েছে। গত বছর জানুয়ারি মাসে ৪ শতাংশ, জুলাই মাসে ৩ শতাংশ এবং চলতি বছর জানুয়ারিতে ৪ শতাংশ বকেয়া রয়েছে৷ একদিন ১৭ শতাংশ হারে ডিএ পেতেন কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা৷ সপ্তম পে কমিশনে আগের থেকে ডিএ বেড়ে ২৮ শতাংশ করা হল।এই সিদ্ধান্তের ফলে উপকৃত হবেন ৫০ লক্ষ কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী ও ৬৫ লক্ষ পেনসন হোল্ডার৷ অন্যদিকে রাজ্য সরকারি কর্মীরা ডিএ পাচ্ছেন ৩ শতাংশ। 

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে স্যাট রায়ে বলেছিল ডিএ দেওয়া বা না -দেওয়া রাজ্যের ইচ্ছার উপরে নির্ভর করে। এরপর স্যাটের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় সরকারি কর্মচারিদের সংগঠন। এর পরে ২০১৮ সালের ৩১ অগস্ট কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাশিস করগুপ্ত ও বিচারপতি শেখর ববি শরাফের ডিভিশন বেঞ্চ রায়ে বলে, ডিএ হল সরকারি কর্মীদের অধিকার। একই সঙ্গে মামলাটি পুনরায় স্যাটে ফিরিয়ে দিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ডিএ কীভাবে ও কী হারে দেওয়া হবে, তা বিচার করে স্যাট তিন মাসের মধ্যে জানাবে। এবার রাজ্য সরকার ওই রায় পুনর্বিবেচনা করে দেখার জন্য একটি রিভিউ পিটিশন দাখিল করল ডিভিশন বেঞ্চে। ডিএ মামলায় বারবারই হারতে হয়েছে রাজ্য সরকারকে। তারপরেও চলছে আইনি লড়াই।