Breaking News
Home / ভারত বর্ষ / ২০১১আদমশুমারি অনুসারে মুসলিমদের তালাকের হার মাত্র ০.৫৬%, জানুন তালাক সম্পর্কিত ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

২০১১আদমশুমারি অনুসারে মুসলিমদের তালাকের হার মাত্র ০.৫৬%, জানুন তালাক সম্পর্কিত ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

২০১১ সালের আদমশুমারিতে মুসলমানদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের হার হিন্দুদের চেয়ে কম। ‘ট্রিপল তালাক’ এর ক্ষেত্রে কোনো জরিপ না থাকলেও ঘটনাটি মোটের উপর ১% এর চেয়ে কম! 

বিশ্ব বার্তা নিউজ পোর্টাল: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং তাঁর সরকার, টিভি চ্যানেলগুলি এবং সুপ্রিম কোর্ট সকলেই ট্রিপল তালাক নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন। ট্রিপল তালাক রোধ আইনও পাশ হয়েছে সংসদে। এখানে ট্রিপল তালাক সম্পর্কিত ১০ টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হল, যা আপনার দৃষ্টিভঙ্গিকে পরিবর্তন করবে।

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে মুসলমানদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের হার ০.৫৬% (হিন্দুদের মধ্যে ০.৭৬%) ছিল।

সরকার বা আইন কমিশন কেউই ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে ট্রিপল তালাকের পরিমাণ নিয়ে কোনও সমীক্ষা চালায় নি।

ভারতীয় মুসলিম মহিলা আন্দোলন (বিএমএমএ) একমাত্র পরিচিত জরিপ চালিয়েছে, যেখানে দাবি করা হয় যে মুসলমানদের মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদের হার ১১%। যেটা ২০১১ সালের আদমশুমারির রিপোর্ট থেকে পুরোপুরি উল্টো।

এই তফাতটি হতে পারে কারণ বিএমএমএর দ্বারা পরিচালিত দুটি সমীক্ষার একটি সমীক্ষায় ১০ টি রাজ্যের ৪,৭১০ জন মুসলিম মহিলা এবং দ্বিতীয়টিতে আটটি রাজ্যের ১১৭ জন মুসলিম মহিলাকে নিয়ে করা হয়েছিল।

বিএমএমএ শরীয়ত আদালতের কাছে ২০১৪ সালে তালাকের ২১৯ টি মামলা এসেছিল, এর মধ্যে ২২ টি ট্রিপল তালাকের সাথে সম্পর্কিত ছিল।

বিএমএমএ কর্তৃক ১১৭ জন বিবাহবিচ্ছেদের মামলার বিষয়ে জরিপে দেখা গেছে, ০.২% ক্ষেত্রে তালাক ফোনে, ই-মেইলের মাধ্যমে ০.৬% এবং ০.০৯% ক্ষেত্রে এসএমএসের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল।

বিএমএমএ-তে উল্লিখিত বিবাহ বিচ্ছেদের ৪০.৫% মামলায় মুসলিম মহিলারাই তালাক দাবি করেছিলেন।

বিএমএমএ সমীক্ষায় দেখা গেছে যে ২% ক্ষেত্রে মুসলিম পুরুষরা বিবাহ বিচ্ছেদের আগে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন এবং ৩৮% ক্ষেত্রে মুসলিম পুরুষরা বিবাহ বিচ্ছেদের পরেও অবিবাহিত থাকতে পছন্দ করেছেন।

বিএমএমএ উল্লেখ করা ১১৭ টি মামলার মধ্যে মাত্র দুটি ক্ষেত্রে মহিলাদের হালালা করতে বলা হয়েছিল, যার অর্থ প্রথম স্বামীর কাছে ফিরে যাওয়ার আগে একজন মহিলাকে অন্য পুরুষকে বিয়ে করতে বলা।

মুসলমান বা হিন্দু উভয়ের মধ্যে বহুবিবাহের পরিমাণ সম্পর্কে কোন সমীক্ষা নেই। গবেষণামূলক প্রমাণ, যদিও উভয় সম্প্রদায়ের দরিদ্র অংশগুলির মধ্যে বহু বিবাহের উদাহরণ একটু বেশি।

Check Also

কোনো ধর্মীয় গ্রন্থ নয় প্রমাণ অনুন, রাম জন্মস্থান পুনর্জীবন কমিটির আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতি

বাবরি মসজিদ

সাজানো ভণ্ডামি, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের সঙ্গে আপনি বর্বরতা করেছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে মুকুল রায়

বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্যের শাসকদল জোর দিয়েছে জন সংযোগ কর্মসূচি। পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে দিদিকে বলো কর্মসূচি। এই কর্মসূচি উপলক্ষেই গত বুধবার দিঘার দত্তপুরে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। সেখানে দীঘর উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু প্রকল্প ঘোষণা করেন। এরপর বাড়ি বাড়ি ঢুকে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন তিনি। যেতে যেতেই রাস্তার পাশে একটি চায়ের দোকানে ঢুকে নিজে হাতে চা বানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর তা পরিবেশনও করেন। এই ঘটনাকে জীবনের ছোটো ছোটো আনন্দদায়ক মুহূর্ত হিসাবেই অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নেওয়া হলে, আদৌ কি যোগ্য প্রার্থীরা প্রধান শিক্ষক হতে পারবেন? উঠছে প্রশ্ন!

এসএসসির মাধ্যমে সহ শিক্ষক নিয়োগে বারে বারে উঠেছে অভিযোগ। কখনো বা এনসিটির রুলস না মানা আবার কখনো বা যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীকে মেধা তালিকায় জায়গা করে দেওয়া। শুধুই যে সহ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে এমন অভিযোগ আছে তা নয়, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও উঠেছে একাধিক অভিযোগ। এসএসসির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছেও প্রচুর। ফলে রাজ্যের স্কুল গুলিতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বারেবারে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে।

এক দেশ, এক পরিবার, এক সন্তান, আইন করে চালু করা উচিত: বিজেপির শরিক নেতা

এক দেশ, এক পরিবার, এক সন্তান, আইন করে চালু করা উচিত

দীঘায় চলবে সি প্লেন, তৈরি হবে পুরীর মত জগন্নাথ দেবের মন্দির: মমতা ব্যানার্জী

দীঘা

সরকারের অনৈতিক সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে

সরকারের অনৈতিক সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে

অতিথি অধ্যাপকদের স্থায়ীকরণে ইউজিসির নিয়মকে লঙ্ঘন, আদালতের পথে চাকুরী প্রার্থীদের একাংশ!

অতিথি অধ্যাপকদের স্থায়ীকরণে ইউজিসির নিয়মকে লঙ্ঘন, আদালতের পথে চাকুরী প্রার্থীদের একাংশ!