Breaking News
Home / খেলা ধুলা / ভারতীয় ক্রিকেট দলও কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কবলে? উঠছে প্রশ্ন!

ভারতীয় ক্রিকেট দলও কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কবলে? উঠছে প্রশ্ন!

বিশ্ব বার্তা নিউজ পোর্টাল: ভারতীয় ক্রিকেট দলেও কি গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আঁচ লেগে গেল! একটা সময় ছিল যখন রাজনীতির আখড়া হয়ে উঠেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল। সৌরভের নেতৃত্বে সেই নাগপাশ থেকে মুক্তি পেয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। আবার নাকি সেই পুরোনো ভূত ফিরে এসেছে দলে। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে পরাজয়ের পর এমন তথ্যই প্রকাশ পাচ্ছে। রিপোর্ট বলছে, টিম ইন্ডিয়া এখন দুটো গোষ্টিতে বিভক্ত। একটা হল শাসক শিবির অর্থাত্ বিরাট কোহলি, আর অন্যটি বিরোধী শিবির অর্থাৎ রোহিত শর্মার। 

প্রথম থেকেই বিশ্বকাপের দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। চোট পাওয়া শিখর ধাওয়ানের পরিবর্তে কেন অজিঙ্ক রাহানেকে সুযোগ দেওয়া হল না? কেন ফর্মে থাকা আম্বাতি রায়ডুকে চার নম্বরে না খেলিয়ে তার জায়গায় সুযোগ পেল বিজয় শঙ্কর বা ঋষভ পন্থ? এরকম আরও অনেক অস্বস্তিকর প্রশ্ন ওঠে আসছে দল নির্বাচন ঘিরে। দলের অন্দরের খবর, অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়কের মধ্যে তেমন বনিবনা নেই। 

রোহিত শর্মার গোষ্ঠীর লোকেরা মনে করছেন, কোচ ও অধিনায়ক মর্জিমতো দল চালাচ্ছেন। সেখানে অন্য কারোর মতামতকে গুরুত্ত দেওয়া হচ্ছে না। অধিনায়ক বিরাট কোহলির কাছের লোকেদেরই বেশি সুযোগ দেওয়া হয় দলে। বারবার ব্যর্থ হলেও টিকে যাচ্ছেন দলে। প্রশ্ন উঠছে, তবে কি অধিনায়ককে তেল দিয়ে চললেই হবে? রোহিত শর্মা ও জসপ্রীত বুমরা বিরোধী গোষ্টিতে থাকলেও শুধু পারফরম্যান্স ভালো থাকায় টিকে রয়েছেন তাঁরা। 

জানা যাচ্ছে, কোচ রবি শাস্ত্রী ও বোলিং কোচ ভরত অরুণকে নিয়ে খুশি নয় অধিকাংশ ক্রিকেটার। ২০১৭ সালে অনিল কুম্বলের পর কোচ হিসাবে যোগ দেন রবি শাস্ত্রী। দলে এমন এক অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে রেখেছেন কোচ ও অধিনায়ক, যে তাঁদের বিরুদ্ধে কেউ টুঁ শব্দ করতে পারছেন না। এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত প্রশাসক কমিটির প্রধান বিনোদ রাইয়ের সমর্থন বরাবরই পেয়ে যাচ্ছেন বিরাট কোহলি। ফলে তাঁর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত দলে। ফলে ক্রিকেটারদের বড় অংশ মনে করছেন, কোচ ও অধিনায়কের প্রিয়পাত্র হলেই জায়গা মিলবে দলে। যেটা পছন্দ করেছেন না সহ-অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ফলে অস্বস্তি বিরাজ করছে দলে।

Check Also

সাজানো ভণ্ডামি, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের সঙ্গে আপনি বর্বরতা করেছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে মুকুল রায়

বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্যের শাসকদল জোর দিয়েছে জন সংযোগ কর্মসূচি। পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে দিদিকে বলো কর্মসূচি। এই কর্মসূচি উপলক্ষেই গত বুধবার দিঘার দত্তপুরে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। সেখানে দীঘর উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু প্রকল্প ঘোষণা করেন। এরপর বাড়ি বাড়ি ঢুকে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন তিনি। যেতে যেতেই রাস্তার পাশে একটি চায়ের দোকানে ঢুকে নিজে হাতে চা বানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর তা পরিবেশনও করেন। এই ঘটনাকে জীবনের ছোটো ছোটো আনন্দদায়ক মুহূর্ত হিসাবেই অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নেওয়া হলে, আদৌ কি যোগ্য প্রার্থীরা প্রধান শিক্ষক হতে পারবেন? উঠছে প্রশ্ন!

এসএসসির মাধ্যমে সহ শিক্ষক নিয়োগে বারে বারে উঠেছে অভিযোগ। কখনো বা এনসিটির রুলস না মানা আবার কখনো বা যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীকে মেধা তালিকায় জায়গা করে দেওয়া। শুধুই যে সহ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে এমন অভিযোগ আছে তা নয়, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও উঠেছে একাধিক অভিযোগ। এসএসসির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছেও প্রচুর। ফলে রাজ্যের স্কুল গুলিতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বারেবারে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে।

এক দেশ, এক পরিবার, এক সন্তান, আইন করে চালু করা উচিত: বিজেপির শরিক নেতা

এক দেশ, এক পরিবার, এক সন্তান, আইন করে চালু করা উচিত

দীঘায় চলবে সি প্লেন, তৈরি হবে পুরীর মত জগন্নাথ দেবের মন্দির: মমতা ব্যানার্জী

দীঘা

সরকারের অনৈতিক সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে

সরকারের অনৈতিক সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে

অতিথি অধ্যাপকদের স্থায়ীকরণে ইউজিসির নিয়মকে লঙ্ঘন, আদালতের পথে চাকুরী প্রার্থীদের একাংশ!

অতিথি অধ্যাপকদের স্থায়ীকরণে ইউজিসির নিয়মকে লঙ্ঘন, আদালতের পথে চাকুরী প্রার্থীদের একাংশ!

কলেজের অতিথি অধ্যাপকদের ধামাকাদার বেতন বৃদ্ধি

কলেজের অতিথি অধ্যাপকদের ধামাকাদার বেতন বৃদ্ধি