Breaking News
Home / উত্তর বঙ্গ / ‘বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকে তোলা দিইনি বলে পদ থেকে সরানো হল’, মালদার অপসারিত জেলা সভাপতি

‘বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বকে তোলা দিইনি বলে পদ থেকে সরানো হল’, মালদার অপসারিত জেলা সভাপতি

বিশ্ব বার্তা নিউজ পোর্টাল: কাঠমানিকে কেন্দ্র করে যখন তৃণমূলের অন্দরে তোলপাড়, সেইসময় বিজেপির অন্দরে তোলাবাজির অভিযোগ আনলেন সদ্য অপসারিত মালদহের বিজেপি জেলা সভাপতি সঞ্জীত মিশ্র। সরাসরি রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে তোপ দেগে তিনি বলেন, ‘রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বকে তোলার টাকা পৌঁছে দিইনি বলেই জেলা বিজেপি সভাপতির পদ থেকে আমাকে অন্যায় ভাবে সরানো হল।’ তবে বিজেপি নেতৃত্ব বলছে সঞ্জীত মিশ্রর নামে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠায় তাকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তোলাবাজির অভিযোগ তোলার সঙ্গে সঙ্গে, দলীয় শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের পিছনে বিজেপির রাজ্য সংগঠন সম্পাদক সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের প্রচ্ছন্ন মদত রয়েছে।’ এরপর বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব তথা দিলীপ ঘোষের উপর গুরুতর অভিযোগ তুলে সঞ্জীত বাবু বলেন, ‘রাজ্য নেতৃত্ব বলেছিল হবিবপুর বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূলকে আসন ছাড়তে। আমি তৃণমূলের সঙ্গে বোঝাপড়া করিনি। ফলে আজ আমায় সরিয়ে দেওয়া হল।’

এরপর বিজেপির অন্দরের অনিয়ম তুলে সঞ্জীত বলেন, ‘সভাপতি পদ থেকে আমাকে সরালে সেটা চিঠি দিয়ে জানাতে হতো রাজ্য সভাপতি। কিন্তু আমার কাছে যে চিঠি এসে পৌঁছেছে, তাতে অফিস সম্পাদকের সই রয়েছে।’ বিজেপির অন্দরের এই সমস্ত অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্বের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন সঞ্জীত বাবু।

তবে তাঁকে যখন প্রশ্ন করা হয় যে, এতদিন আপনি এই সমস্ত অভিযোগ করেননি কেন? জেলা সভাপতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর কেন বলছেন? জবাবে সঞ্জিত বলেন, ‘এত দিন আমি দলে ছিলাম। তাই দলের ভিতরে যা বলার বলেছি। কিন্তু এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে। তাই বাইরে সংবাদমাধ্যমের কাছে বলছি।’

তবে দলের একাংশ জানিয়েছেন, জেলা নেতৃত্তের অনেকের সাথেই সঞ্জিতবাবুর ঠিকমত বনিবনা হচ্ছিল না। তাকে যখন জেলা সভাপতি করা হয়েছিল সে সময় অনেক জেলা নেতা আপত্তি জানিয়ে দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আবেদনও করেছিলেন। মালদা জেলায় বিজেপির নতুন জেলা সভাপতি করা হয়েছে গোবিন্দ মন্ডলকে।

Check Also

সাজানো ভণ্ডামি, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের সঙ্গে আপনি বর্বরতা করেছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে মুকুল রায়

বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্যের শাসকদল জোর দিয়েছে জন সংযোগ কর্মসূচি। পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে দিদিকে বলো কর্মসূচি। এই কর্মসূচি উপলক্ষেই গত বুধবার দিঘার দত্তপুরে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। সেখানে দীঘর উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু প্রকল্প ঘোষণা করেন। এরপর বাড়ি বাড়ি ঢুকে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন তিনি। যেতে যেতেই রাস্তার পাশে একটি চায়ের দোকানে ঢুকে নিজে হাতে চা বানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর তা পরিবেশনও করেন। এই ঘটনাকে জীবনের ছোটো ছোটো আনন্দদায়ক মুহূর্ত হিসাবেই অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নেওয়া হলে, আদৌ কি যোগ্য প্রার্থীরা প্রধান শিক্ষক হতে পারবেন? উঠছে প্রশ্ন!

এসএসসির মাধ্যমে সহ শিক্ষক নিয়োগে বারে বারে উঠেছে অভিযোগ। কখনো বা এনসিটির রুলস না মানা আবার কখনো বা যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীকে মেধা তালিকায় জায়গা করে দেওয়া। শুধুই যে সহ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে এমন অভিযোগ আছে তা নয়, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও উঠেছে একাধিক অভিযোগ। এসএসসির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছেও প্রচুর। ফলে রাজ্যের স্কুল গুলিতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বারেবারে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে।

এক দেশ, এক পরিবার, এক সন্তান, আইন করে চালু করা উচিত: বিজেপির শরিক নেতা

এক দেশ, এক পরিবার, এক সন্তান, আইন করে চালু করা উচিত

দীঘায় চলবে সি প্লেন, তৈরি হবে পুরীর মত জগন্নাথ দেবের মন্দির: মমতা ব্যানার্জী

দীঘা

সরকারের অনৈতিক সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে

সরকারের অনৈতিক সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে

অতিথি অধ্যাপকদের স্থায়ীকরণে ইউজিসির নিয়মকে লঙ্ঘন, আদালতের পথে চাকুরী প্রার্থীদের একাংশ!

অতিথি অধ্যাপকদের স্থায়ীকরণে ইউজিসির নিয়মকে লঙ্ঘন, আদালতের পথে চাকুরী প্রার্থীদের একাংশ!

কলেজের অতিথি অধ্যাপকদের ধামাকাদার বেতন বৃদ্ধি

কলেজের অতিথি অধ্যাপকদের ধামাকাদার বেতন বৃদ্ধি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *