Breaking News
Home / ভারত বর্ষ / কাশ্মীরের রুট পরিষ্কার, এখন আমরা কাশ্মীর থেকে মেয়েদের নিয়ে আসব: বেটি বাঁচাও-বেটি পড়াও অনুষ্ঠানে হরিয়ানার সিএম মনোহর লাল খট্টর

কাশ্মীরের রুট পরিষ্কার, এখন আমরা কাশ্মীর থেকে মেয়েদের নিয়ে আসব: বেটি বাঁচাও-বেটি পড়াও অনুষ্ঠানে হরিয়ানার সিএম মনোহর লাল খট্টর

বিশ্ব বার্তা নিউজ পোর্টাল: কিছুদিন আগেই বিজেপি বিধায়ক বিক্রম সায়নী মন্তব্য করেছিলেন “এখন লোকেরা কাশ্মীরের সাদা চামড়ার মেয়েদের বিয়ে করতে পারবে।” এবার হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর আরও এধাপ উপরে উঠে বিতর্কিত বক্তব্য পেশ করলেন, তাও আবার বেটি বাঁচাও, বেটি পড়াও কর্মসূচিতে। যেটা আবার মেয়ে এবং বালিকা সন্তানের কল্যাণমূলক উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে। খট্টর বলেছেন, সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করার পরে কাশ্মীরি মেয়েদের এখন বিয়ের উদ্দেশ্যে হরিয়ানায় নিয়ে আসা যেতে পারে।

হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী, ফতেয়াবাদে মহর্ষি ভাগীরথ জয়ন্তী সমরোহের রাজ্য পর্যায়ের অনুষ্ঠানে এই বিতর্কিত বক্তব্য করেছেন।

হরিয়ানায় বেটি বাঁচাও-বেটি পড়াও অভিযানের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী খট্টর বলেন, “আমাদের মন্ত্রী ওপি ধনকর বলতেন যে তাকে বিহার থেকে পুত্রবধুদের নিয়ে আসতে হবে। লোকেরা আজকাল বলতে শুরু করেছে কাশ্মীরের রুট পরিষ্কার হয়ে গেছে এবং এখন আমরা কাশ্মীর থেকে মেয়েদের নিয়ে আসব।”

হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, “কন্যা সন্তানের জন্মহার কম হওয়ায় হরিয়ানা কুখ্যাত ছিল। সরকার বেটি বাঁচাও-বেটি পাঠাও প্রচার চালিয়েছে, যার কারণে প্রতি এক হাজার ছেলের মধ্যে মেয়েদের সংখ্যা ৮৫০ থেকে বেড়ে ৯৩৩ হয়েছে। আমাদের এই সংখ্যাটি এক হাজারে নিতে হবে।”

Check Also

কোনো ধর্মীয় গ্রন্থ নয় প্রমাণ অনুন, রাম জন্মস্থান পুনর্জীবন কমিটির আইনজীবীকে প্রধান বিচারপতি

বাবরি মসজিদ

সাজানো ভণ্ডামি, পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্রের সঙ্গে আপনি বর্বরতা করেছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে মুকুল রায়

বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্যের শাসকদল জোর দিয়েছে জন সংযোগ কর্মসূচি। পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছে দিদিকে বলো কর্মসূচি। এই কর্মসূচি উপলক্ষেই গত বুধবার দিঘার দত্তপুরে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী। সেখানে দীঘর উন্নয়নের জন্য বেশ কিছু প্রকল্প ঘোষণা করেন। এরপর বাড়ি বাড়ি ঢুকে সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনেন তিনি। যেতে যেতেই রাস্তার পাশে একটি চায়ের দোকানে ঢুকে নিজে হাতে চা বানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর তা পরিবেশনও করেন। এই ঘটনাকে জীবনের ছোটো ছোটো আনন্দদায়ক মুহূর্ত হিসাবেই অভিহিত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষক নেওয়া হলে, আদৌ কি যোগ্য প্রার্থীরা প্রধান শিক্ষক হতে পারবেন? উঠছে প্রশ্ন!

এসএসসির মাধ্যমে সহ শিক্ষক নিয়োগে বারে বারে উঠেছে অভিযোগ। কখনো বা এনসিটির রুলস না মানা আবার কখনো বা যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে অযোগ্য প্রার্থীকে মেধা তালিকায় জায়গা করে দেওয়া। শুধুই যে সহ শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে এমন অভিযোগ আছে তা নয়, প্রধান শিক্ষক নিয়োগ নিয়েও উঠেছে একাধিক অভিযোগ। এসএসসির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়ে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছেও প্রচুর। ফলে রাজ্যের স্কুল গুলিতে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ বারেবারে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে।

এক দেশ, এক পরিবার, এক সন্তান, আইন করে চালু করা উচিত: বিজেপির শরিক নেতা

এক দেশ, এক পরিবার, এক সন্তান, আইন করে চালু করা উচিত

দীঘায় চলবে সি প্লেন, তৈরি হবে পুরীর মত জগন্নাথ দেবের মন্দির: মমতা ব্যানার্জী

দীঘা

সরকারের অনৈতিক সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে

সরকারের অনৈতিক সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে

অতিথি অধ্যাপকদের স্থায়ীকরণে ইউজিসির নিয়মকে লঙ্ঘন, আদালতের পথে চাকুরী প্রার্থীদের একাংশ!

অতিথি অধ্যাপকদের স্থায়ীকরণে ইউজিসির নিয়মকে লঙ্ঘন, আদালতের পথে চাকুরী প্রার্থীদের একাংশ!